বৃহস্পতিবার , জুন ২৭ ২০১৯
Breaking News

সেরাটা দিতে এটাই মুশফিকের ‘সেরা সময়’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চৌদ্দবছর হয়ে গেল মুশফিকুর রহিমের। খেলতে গেছেন নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে। এত লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাটুকু কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডে নিজের সেরাটাই দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন টাইগার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে সেই সংকল্পের কথাই।

‘বিশ্বকাপে সবারই লক্ষ্য থাকে ভালো কিছু করার, ভালো খেলার। বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত হয়ত ৪-৫ জন ভালো খেলবে। আমারও অনেক স্বপ্ন, লক্ষ্য আছে বিশ্বকাপ নিয়ে।’

‘যখন কেউ ১৩-১৪ বছর ধরে খেলে, তাতে দায়িত্বটা এমনিতেই বেড়ে যায়। আমারও জবাবদিহিতা আছে। অবশ্যই চেষ্টা করবো আমার কাছে যে সুযোগটুকু আসবে তা পুরোপুরি কাজে লাগানোর। আমার জন্য এটাই সেরা সময় বাংলাদেশকে ভালো কিছু দিতে পারার।’

অতীতে বেশ কয়েকবার ম্যাচ জয়ের খুব কাছে নিয়ে গেলেও খালি হাতে ফিরেছেন মুশফিক। যার মধ্যে আছে ভারতের বিপক্ষে ২০১৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটাও। তবে এবার আর তেমনটা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মুশি।

‘শেষ ৪-৫ বছর ধরে যেভাবে খেলছি, এটা আমার জন্য অনেক পাওয়া। বিশেষ করে শুধু রান করা নয়, স্ট্রাইক রোটেট করা, ভালো স্ট্রাইকরেটে খেলা, সবকিছুতেই যথেষ্ট উন্নতি করেছি। তবে উন্নতির তো শেষ নেই। আমি শুধু চাইবো গত কয়েক বছরে বাংলাদেশকে যেভাবে ম্যাচ জেতাতে পেরেছি, সেই চেষ্টা করার। বিশ্বকাপে যদি সুযোগ আসে তাহলে আমিই যেন সেই ব্যক্তি হই যে কি-না ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত বের করে নিয়ে আসতে পারি।’

নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ। অতীতের আসরগুলোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুশফিক বললেন, ‘অবশ্যই ভালো কিছু স্মৃতি আছে। খারাপও আছে। আর এটাই ক্রিকেট। আমি বিশ্বাস করি এবার আমাদের যে দল আছে, যেখানে খেলা হচ্ছে, যে ফরম্যাটে খেলা হচ্ছে, অবশ্যই আমাদের ভালো সুযোগ আছে। যদি তিন ফরম্যাটেই খেলতে পারি তাহলে আমাদের সম্ভাবনা আছে তিন ফরম্যাটেই ভালো খেলার।’

‘আর নকআউট পর্বে গেলে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক কিছু চিন্তা করছি। হতে পারে ইংল্যান্ডে এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ। চেষ্টা করবো সেটা স্মরণীয় করে রাখতে।’

Check Also

পাঁচ বছরের চুক্তিতে বার্সায় ফিরছেন নেইমার!

অবশেষে প্যারিসকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন নেইমার জুনিয়র। নতুন গন্তব্য তারই পুরনো ঠিকানা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *