বৃহস্পতিবার , মে ২৩ ২০১৯
Breaking News

রমজানে কর্মজীবনে সততার শপথ জরুরি

বাংলার আলো ডেস্ক:

রমজানে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় এবং জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এর প্রভাবে মানুষের ভেতর ইবাদত-বন্দেগি ও ভালো কাজের আগ্রহ জন্ম নেয় এবং মন্দ কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। আল্লাহ তাআলাই বান্দাকে তাঁর ভয়, পরকালের পাথেয় ও সুন্দর জীবন অর্জনের জন্য এই পবিত্র পরিবেশ তৈরি করেন।

তবে রমজানের সবচেয়ে বড় অর্জন ও শিক্ষা দুটি। এক. তাকওয়া বা খোদাভীতি, দুই. মানুষের প্রতি সহমর্মিতা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ আর মুসলিম ধর্মবেত্তারা বলেছেন, ‘রোজার মাধ্যমে অনাহারী মানুষের মর্মবেদনা রোজাদার মানুষ বুঝতে পারে। ফলে সে অন্যের প্রতি সহমর্মী হয়।’

আমি দেশের মানুষকে আহ্বান জানাব এ দুই শিক্ষা যেন জীবনে বাস্তবায়িত হয়। বিশেষত প্রত্যেক মানুষ যে যে দায়িত্বে রয়েছে, যে যে পেশায় রয়েছে, সেখানে যেন সে তার কাজের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে। সে যেন ভেবে দেখে, সমাজ ও রাষ্ট্রপ্রদত্ত দায়িত্ব কী আমি পালন করছি? এই কাজের দ্বারা আমাদের দেশ, জাতি ও সমাজের সর্বনাশ করছি না তো?

বাহ্যত এই দায়িত্ব রাষ্ট্র বা সরকার আমাকে দিলেও প্রকৃতপক্ষে আল্লাহই আমাকে মনোনীত করেছেন। তাই তাকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ না করে, দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করি। এটাই তাকওয়ার দাবি। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে একদিন সমাজের চিত্রই বদলে যাবে।

দ্বিতীয়ত সমাজে ইফতার ও সাহরিতে বিলাসিতার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। প্রচুর অপব্যয় হয় ইফতার ও সাহরিতে। অন্যদিকে এই সমাজের কিছু মানুষ রোজা রাখার জন্য দুই মুঠো ভাত জোগাড় করতে পারে না।

অথবা তাদের ভীষণ কষ্ট হয় সংসার চালাতে। আমরা যদি পরিমিত ব্যয় করি এবং এসব পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াই, তবে সমাজ ঘুরে দাঁড়াবে। আমরাও রমজানের মর্যাদা অর্জন করতে পারব। সূত্র: কালের কণ্ঠ

লেখক : উপাচার্য, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

Check Also

টয়লেট করে হাত ধোয় না ৪০ শতাংশ ভারতীয় নারী

বাংলার আলো ডেস্ক: বাথরুম করার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া হচ্ছে না, এটা কি কেউ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *