শুক্রবার , এপ্রিল ১৯ ২০১৯
Breaking News

নতুন উদ্যোগে এগিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়

বাংলার আলো ডেস্ক: নতুন মন্ত্রিসভার ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)। দায়িত্ব পেয়ে মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে নব উদ্যমে পথচলা শুরু করেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের নানামুখী উদ্যোগের সুফল পেতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষও।
ভূমি মন্ত্রণালয় তেমনই একটি মন্ত্রণালয়। এর আগের মেয়াদে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকলেও নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। দায়িত্ব পেয়ে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত ভূমি প্রশাসন গড়ার প্রত্যয়ে কাজ শুরু করেন।
দীর্ঘদিনের জঞ্জালে পূর্ণ ভূমি ব্যবস্থার সংস্কারে ইতোমধ্যে তিনি তার যোগ্যতার স্বাক্ষরও রেখেছেন। গত ১০০ দিনের মধ্যেই অনলাইনে খুব সহজে জমির খতিয়ান সংগ্রহের ব্যবস্থা, ই-মিউটেশন ব্যবস্থা চালু করেছেন। ভূমি প্রশাসনের ১৭ হাজার ২০৮ কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নিয়েছেন। হাজারেরও বেশি ভূমির শ্রেণি কমিয়ে ১৬টিতে নিয়ে এসেছেন।
মাঠপর্যায়ে ভূমি সংক্রান্ত সেবা আরও জনবান্ধব করতে এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার, ভূমি) পদে নিয়োগ-বদলিতে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
‘চমক’ দেয়া নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘কাজ না করে এ মন্ত্রিসভায় কেউ টিকে থাকতে পারবেন না।’ তার ওই নির্দেশনার আলোকে নতুন মন্ত্রিসভার অনেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী নিজেকে প্রমাণ করতে উদ্যমী হয়ে কাজ শুরু করেন। অনেকের কাজ এখনও সেভাবে দৃশ্যমান হয়নি। হয়তো আরও কিছু সময় গেলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জনবান্ধব কর্মকাণ্ডের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
দায়িত্ব নেয়ার পর ভূমিমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কাজে চমক সৃষ্টি করে ভূমি মন্ত্রণালয়কে কাজের মানের দিক থেকে টপ-টেনে নিয়ে যাব।’
‘৯০ দিনের প্রাথমিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে’ জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, প্রথম দেড় বছর ‘স্বল্প মেয়াদী‘, পরবর্তী দেড় বছর ‘মধ্যম মেয়াদী’ এবং শেষ দুই বছর ‘দীর্ঘ মেয়াদী’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পুরো পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এরপর ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এ মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় আগের বেশির ভাগ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর ঠাঁই হয়নি।

গত ১০০ দিনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো-
হাতের মুঠোয় খতিয়ান : ‘হাতের মুঠোয় খতিয়ান’ স্লোগানে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ আরএস খতিয়ান অনলাইনে অবমুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ ব্যবস্থায় মাত্র পাঁচ মিনিটে অনলাইনে জমির খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে land.gov.bd বা rsk.land.gov.bd বা
www.minland.gov.bd বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের সহায়তায় নতুন এ পদ্ধতি চালু করা হয়।
দেশে প্রায় ৬১ হাজার ৫০০ (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) মৌজা রয়েছে। এর মধ্যে ৪১ হাজার মৌজার জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এর প্রায় ৩২ হাজার মৌজার জরিপে প্রকাশিত এক কোটি ৪৬ লাখ আরএস (১৯৬৫ সাল থেকে চলমান জরিপে প্রস্তুত করা খতিয়ান) খতিয়ানের তথ্য অনলাইনে পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। বাকি খতিয়ানগুলো ক্রমান্বয়ে যুক্ত হতে থাকবে।
জরিপ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং জরিপ শেষ হয়েছে এমন খতিয়ানগুলো পর্যায়ক্রমে আপলোড করা হবে। জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্তভাবে গেজেট প্রকাশিত খতিয়ানও এসব লিংকে আপলোড করা হবে বলে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকের অফিসের রেকর্ড রুম থেকে খতিয়ান বা পর্চা দেয়া হতো। খতিয়ানের কপি প্রাপ্তিতে জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতাই নয়; সময়, খরচ ও যাতায়াতের ভোগান্তি পোহাতে হতো।

ভূমির শ্রেণি ১৬টিতে নামিয়ে আনা : ভূমির শ্রেণি এক হাজার ১২৪টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করে ভূমি মন্ত্রণালয়। ভূমির শ্রেণি জটিলতা সহজ করে মানুষের হয়রানি দূর করার জন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। বর্তমানে সব ধরনের ভূমিকে বন, পাহাড়, নদী, জলাভূমি, রাস্তা, টার্মিনাল, বন্দর, আবাদি, আবাসিক, অফিস, বাণিজ্যিক, শিল্প, বিনোদনকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্মৃতিস্তম্ভ ও ধর্মীয় স্থান- শ্রেণিতে বিভক্ত করে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পরিপত্র জারি করা হয়। এখন থেকে জরিপের ক্ষেত্রে এসব শ্রেণি প্রযোজ্য হবে।
ভূমির বিদ্যমান শ্রেণিগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই শ্রেণির ভূমিকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয়। এমনকি এক্ষেত্রে দুর্বোধ্য নাম ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণ জনগণের আদৌ বোধগম্য ছিল না। তাই বিদ্যমান জমির শ্রেণিগুলোকে সর্বসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য, সহজবোধ্য, প্রয়োগযোগ্য ও যুগোপযোগী করে ১৬টি শ্রেণিতে রূপান্তর করা হয়।

এসিল্যান্ড নিয়োগ-বদলিতে নতুন নির্দেশনা : মাঠপর্যায়ে ভূমি সংক্রান্ত সেবা আরও জনবান্ধব করতে এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার-ভূমি) পদে নিয়োগ-বদলিতে নতুন নির্দেশনা দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। গত ৬ মার্চ বিভাগীয় কমিশনারদের প্রতি এ নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়, মাঠপর্যায়ে ভূমি রাজস্ব প্রশাসনে নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ এবং রেকর্ড সংশোধন, সরকারি খাস জমি ও অকৃষি জমি ব্যবস্থাপনা, সায়রাত মহাল ব্যবস্থাপনা, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা পরিচালনা ও নিষ্পত্তি তথা সর্বোপরি ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
এতে আরও বলা হয়, প্রায়ই দেখা যায়, পদোন্নতি, বদলি, শিক্ষা ছুটি ইত্যাদি কারণে উপজেলা বা রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের (ভূমি) উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্য থাকে। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা (ইউএনও) সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বহুমাত্রিক দায়িত্ব পালন করেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা হিসেবে ইউএনওর পক্ষে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে বাস্তবভিত্তিক কারণেই যথেষ্ট সময় দেয়া সম্ভব হয় না। ফলে জনগণ যথাসময়ে তাদের প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না। অথচ স্বচ্ছ, দক্ষ ও জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভিশন। তাছাড়া মহানগরী, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, ভৌগোলিক আয়তন, অবস্থান ইত্যাদি দিক বিবেচনা করলে একেকটি উপজেলা বা সার্কেলের গুরুত্ব একেক প্রকৃতির।
এ প্রেক্ষাপটে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে নিয়োগ, বদলি, পদায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনারদের কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
ভূমি সংক্রান্ত কাজের পরিমাণ, ব্যাপকতা, বহুমাত্রিকতা, জনসম্পৃক্ততা, অধিগ্রহণ, ভূমি হুকুম-দখলসহ রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কাজ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে পদায়ন, নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, জনসম্পৃক্ততা বিবেচনা করে সব মহানগরীর রাজস্ব সার্কেল বা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) শূন্য পদ পূরণ করতে হবে। এসিল্যান্ড পদায়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এমন অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সব উপজেলা সদর বা পৌর এলাকাভুক্ত উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়ন করতে হবে। অপেক্ষাকৃত বেশি ইউনিয়ন পরিষদ, জনসংখ্যা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইত্যাদি উপজেলার পদ পূরণ করতে হবে।
নিকটবর্তী যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত অথচ আয়তন ও জনসংখ্যা কম- এমন উপজেলার জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত পার্শ্ববর্তী উপজেলার দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার তাকে আর্থিক ক্ষমতা দিতে পারবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়, অপেক্ষাকৃত দুর্গম, প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক কারণে অন্য উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন, অধিকতর দূরত্ব এমন উপজেলার জনগণের সেবাপ্রাপ্তির বিষয় বিবেচনা করে একক দায়িত্ব দিতে হবে। কোনো উপজেলায় পূর্ণকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে একই জেলার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। বহুবিধ ও বহুমাত্রিক কাজ থাকায় মহানগরী ও উপজেলা সদরে নিয়োজিত সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহায়তা দিতে হবে। অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে তাদের নিয়োগ বা দায়িত্ব প্রদানে নিরুৎসাহিত করতে হবে।
অপেক্ষাকৃত জটিল এবং কাজের পরিধি ও ব্যাপকতা থাকায় প্রথমবারে মহানগরীতে পদায়ন না করা। কিছু সময়ের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সততার বিচারে মহানগরীতে পদায়ন করতে হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ হাজার কর্মচারীর সম্পদের হিসাব গ্রহণ : সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন পাঁচটি দফতরে এবং ৬৪টি জেলায় কর্মরত ১৭ হাজার ২০৮ জন কর্মচারী।
ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থায় মোট তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৭৬ জন। বিভাগীয় মামলায় সাময়িক বরখাস্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে থাকার কারণে ৩৬৮ জন কর্মচারী সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে পারেননি।
গত ১৭ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সব দফতরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সম্পদ বিবরণী জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে ভূমি মন্ত্রণালয়। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্জিত সম্পদ নির্ধারিত ছকে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা দেয়ার কথা ছিল। এ সময়ের পরও সম্পদের হিসাব জমা দেন কর্মচারীরা।
ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এত দ্রুত সময়ে কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব গ্রহণ তার একটি প্রমাণ। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সম্পদ বিবরণী দাখিলের ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি করতে সবাই নিরুৎসাহিত হবেন।’
এখন হতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের কর্মসূচি চলমান থাকবে। নিয়মিত মনিটরিং করার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ভূমি অফিস দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
গত ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা দিতে অন্যতম কৌশল হিসেবে মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নেয়ার ঘোষণা দেন ভূমিমন্ত্রী।
পরবর্তী সময়ে সম্পদের হিসাব নেয়ার কার্যক্রম ভূমিমন্ত্রীর প্রথম ৯০ দিনের ৯ কার্যক্রমের অন্যতম অংশ করা হয়।
চালু হলো ই-মিউটেশন ব্যবস্থা : গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগরসহ সমগ্র ঢাকা জেলায় শতভাগ ই-নামজারি চালুর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী। আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যে দেশব্যাপী ই-মিউটেশন কার্যক্রম পুরোদমে চালু হবে বলে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন তিনি।
এটুআই (অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন) এবং ভূমি সংস্কার বোর্ডের সহায়তায় ই-নামজারি কোর্স পরিচালনা হচ্ছে। এ কোর্সে সহকারী কমিশনার (ভূমি), কানুনগো, সার্ভেয়ার, নামজারি সহকারীসহ মাঠপর্যায়ে ভূমি সেবা প্রদানরত সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
‘ই-নামজারি’ অ্যাপ্লিকেশনটি মূলত ‘জমি’ নামক জাতীয় ভূমি-তথ্য ও সেবা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ( www.land.gov.bd ) একটি অংশ।

Check Also

দশ টাকার টিকিট কেটে ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলার আলো ডেস্ক: সরকারিভাবে নির্ধারিত ১০ টাকার টিকিট কেটে অন্য সব সাধারণ রোগীদের মতোই চিকিৎসা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *